chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

চট্টগ্রামে জমে উঠেছে শেষ মুহুর্তে পশুরহাট

রাত পোহালেই পলিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্ত সামনে রেখে জমে উঠেছে চট্টগ্রাম নগর, জেলা ও উপজেলার কোরবানির পশুর হাটগুলো।  এখন শেষ মুহূর্তের বেচাকেনা তুঙ্গে।

ঈদ ঘিরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখরিত হাটগুলো। খামারি ও পাইকাররা পশু নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করছেন হাটে হাটে। গ্রামাঞ্চলেও চলছে ব্যাপক বেচাবিক্রি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ধারণা, এবারের কোরবানির পশুর বাণিজ্য ছাড়িয়ে যেতে পারে হাজার কোটি টাকা।মইজ্জ্যারটেক, সাগরিকা বাজার পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে জমজমাট বিক্রি। আজ বুধবার বেড়েছে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি। অনেকেই সন্ধ্যার পর আরও বেশি ক্রেতা আসার আশা করছেন। হাটে ব্যাপারীরা ব্যস্ত গরু গোছগাছ, পরিচর্যা ও দরদামে।সাগরিকা হাটের এক ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদ জানান, ২০ মে থেকে তিনি হাটে আছেন। ছোট গরুগুলো আগেই বিক্রি হয়ে গেছে এবং দামও ভালো পেয়েছেন। এখন শুধু বড় দুটি গরু অবিক্রীত রয়েছে। আশা করছেন, আজকের মধ্যে সেগুলোও বিক্রি হয়ে যাবে।

স্টিলমিল বাজারের ইজারাদার জানান, বিক্রিবাটা ভালো চলছে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ধারণা করা হচ্ছে, রাতভর এই বেচাকেনা চলবে।

চট্টগ্রাম নগরের বাইরের হাটগুলোতেও একই চিত্র। পটিয়া,আনোযারা, চন্দনাইশ ও হাটহাজারির বিভিন্ন  হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে শেষ মুহূর্তের চাঙাভাব লক্ষ্য করা গেছে।

পটিয়ার স্থানীয় পশু ব্যাপারী আইনাল হোসেন জানান, গত কয়েকদিন বিক্রি কম হলেও এখন বেচাকেনা বেড়েছে। বিশেষ করে ছোট গরুর চাহিদা বেশি। তবে বড় গরুর দাম কিছুটা কমে গেছে বলে জানান তিনি।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় কেউ খালি হাতে ফিরবেন না। মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে বিক্রি। সব পশুই কোনো না কোনোভাবে বিক্রি হয়ে যাবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

ফরিদা |চখ

এই বিভাগের আরও খবর