chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

চট্টগ্রামে ১২-১৮ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া শুরু

ksrm

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা বিভাগ। ইতোমধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করেছেন। বাকি দেড় লাখ শিক্ষার্থীকে ৬ দিনে টিকার আওতায় আনতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ

সোমবার (১০ জানুয়ারি) নগরীর ২৫ হাজার শিক্ষার্থীকে একযোগে টিকার আওতায় আনতে নগরীর বৃহৎ তিনটি কমিউনিটি সেন্টারে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে বিশেষ এই ক্যাম্পেইনে ৫০টিরও বেশি টিম কাজ করে যাবেন। সাথে যুক্ত আছেন সিনিয়র স্টাফ নার্স থেকে শুরু করে দেড়শ’ জনের অধিক স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম। যাদের শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের টিকাদানের জন্য উপজেলা পর্যায় থেকে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নগরীর তিন কমিউনিটি সেন্টারগুলো হলো- জামাল খানের রিমা কমিউনিটি সেন্টার, আগ্রাবাদ এক্সসেস রোডের আব্দুল্লাহ কমিউনিটি সেন্টার এবং আন্দরকিল্লা সিরাজদৌলা রোডের সেভেন-ইলেভেন কমিউনিটি সেন্টার। এ তিন সেন্টারেই আজ থেকে ৬ দিনের শিক্ষার্থীদের মাঝে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী চট্টলার খবর’কে বলেন, ১২-১৮ বছরের শিক্ষার্থীসহ সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে এমন বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও আলোচনা মোতাবেক এমন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। আশা করছি এই ৬ দিনের মধ্যেই মহানগর এলাকার সকল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে টিকা গ্রহণ না করা শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে না যাওয়ার লিখিত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীর টিকাগ্রহণ নিশ্চিত করতে গত শনিবার (০৮ জানুয়ারি) নির্দেশনা পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় সব শিক্ষার্থীর টিকাদান কার্যক্রম শেষ হবে এবং এর পর থেকেই টিকা না নেওয়া শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

জেএইচ/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...