এবারও সার্কে যাচ্ছে না ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংগঠন সার্কের শীর্ষ সম্মেলনে এবারও আগ্রহ নেই ভারতের। ২০১৬ সালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও সেবার ভারতের অনাগ্রহে তা শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়। এবারও ঠিক একই পথে হাঁটল দেশটি।
বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যেসব কারণে এই আঞ্চলিক জোটের শীর্ষ সম্মেলন বন্ধ রয়েছে তার কোনো পরিবর্তন এখনো হয়নি। তাই শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে ঐকমত্যও নেই।
সার্কের সনদ অনুযায়ী, সদস্যদেশগুলোর সবাই একমত না হলে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে পারে না।
২০১৬ সাল থেকে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বন্ধ রয়েছে। সে বছর ইসলামাবাদে ওই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উরিতে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের প্রতিবাদে ভারত সম্মেলনে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে, এবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি সম্প্রতি সার্ক সম্মেলনের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। এসময় তিনি ভারতের বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেছেন, অসুবিধা থাকলে ভারত ওই সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিতে পারে।
কিন্তু কোরেশির প্রস্তাবের বিষয়ে ভারতের মনোভাব জানিয়ে দেন অরিন্দম বাগচি। বলেন, ‘যেসব সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৬ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে, তা এখনো অপরিবর্তিত আছে। কাজেই শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে ঐকমত্য নেই।’
যদিও কোরেশি ভারতের ‘একগুঁয়েমি মনোভাবকে’ দায়ী করেন। সার্ককে ‘অকার্যকর’ করে তোলার দায়ও পুরোপুরি ভারতের ওপর চাপিয়েছিলেন তিনি।
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সংক্ষেপে সার্ক) দক্ষিণ এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থা। এর সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান। চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মায়ানমার, মরিশাস, ও অস্ট্রেলিয়া হল সার্কের ৮ টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র