chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে গেলেন জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভূমি ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের গুণগত মান যাচাইয়ে পরিদর্শনে গেলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। এসময় তিনি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি উপকার ভোগীদের মাঝে পাঁচটি বৃক্ষরোপন করেন।

শনিবার (১০ জুলাই) ফটিকছড়ি উপজেলার পৌরসভায় ৮০ টি এবং পাইন্দং ইউনিয়নের ১৮৮টি গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শনে যান। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪৯টি পরিবারকে পাকা ঘরসহ দুই শতাংশ জমি দেওয়া হয়।

এর মধ্যে পাইন্দং, সুয়াবিল, ভুজপুর, এবং কাঞ্চন নগর ইউনিয়নে ৭০টি গৃহ নির্মাণ করা হয়।

আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা গেলেন প্রশাসক
ভূমি ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের গুণগত মান যাচাইয়ে পরিদর্শনে গেলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

বর্তমানে গৃহ ও নির্মাণাধীন স্থলে সুপেয় পানির নিশ্চিতে গভীর নলকূপ ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর সঙ্গে কমিউনিটি স্থাপনে মসজিদ, উপাসনালয় ও কবরস্থান, বিদ্যালয় ও খেলার মাঠের প্রকল্পের কাজ চলছে। যাতায়াতের জন্য উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব কার্যক্রম তদারকি শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে পাঁচ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। বর্তমানে ২৩৩ টি ঘরে প্রায় ১ হাজার তিনশো থেকে ১ হাজার চারশো মানুষের বসবাস।

উল্লেখ্য, ফটিকছড়ি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে ৫৩০টি পরিবারকে পূনর্বাসন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে পাইন্দং এ ২৬, কাঞ্চননগর এ ১০, সুয়াবিল ২২ এবং ভূজপুরে ১২ টি মোট ৭০টি গৃহ জমিসহ হস্তান্তর করা হয়।
দ্বিতীয় ধাপে খিরাম ৯৫, পাইন্দং ২০৭, নারায়ণহাট ১০, বাগানবাজার ৩০, ধর্মপুর ১৫, ভূজপুর ৭৫, সুয়াবিল ১৩, রোসাংগিরী ৫ এবং ফটিকছড়ি পৌরসভায় (দক্ষিণ রাঙ্গামাটিয়া) ৮০টি সহ সর্বমোট ৫৩০টি জমিসহ গৃহ নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্ত। উক্ত ঘরসমূহ অবৈধ দখলদারদের থেকে ৩৪ দশমিক ৫৬ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়।

আরকে/এএমএস/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...