chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

নগরীর ৩ শ নির্মাণ শ্রমিকের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: লকডাউন চলাকালীন নগরীর ৩ শ নির্মাণ শ্রমিক পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত উপহার সামগ্রী (ত্রাণ) বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

বুধবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

প্রতি প্যাকেট উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল ৭ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ লিটার সয়াবিন তেল ও ১টি সাবান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস.এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ, এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সজীব কুমার চক্রবর্তী, জেলা নাজির মোঃ জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

স্বেচ্ছাসেবক টিম সিপিপি ও এম.এ ফাউন্ডেশন ত্রাণ বিতরণ কাজে সহযোগিতা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, করোনা প্রতিরোধে মন্ত্রী পরিষদ ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলাকালীন একেবারে কর্মহীন হয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনকে ত্রাণের আওতায় আনা হয়েছে।

‘করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর লকডাউন চলাকালীন সমাজের অসচ্ছল কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে তা দেখার জন্য জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা আমাদের সকলের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন।’

ডিসি বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমাজের কর্মহীন মানুষের পাশাপাশি অসহায় নির্মাণ শ্রমিক, ছিন্নমূল, দুস্থ, হতদরিদ্র পরিবারকে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। যতদিন লকডাউন থাকবে ততদিন অসহায় অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে যারা প্রকাশ্যে সাহায্য নিতে সংকোচবোধ করছেন বা সাহায্য চেয়ে সরকারি ৩৩৩ নম্বরে ফোন ও আমাদের কাছে এসএমএস করছেন প্রত্যেক রাতে তাদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে গিয়ে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবে না।

এমআই/চখ

এই বিভাগের আরও খবর
Loading...