এভিয়েশন হাব হতে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার। পাশাপাশি বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
বুধবার সচিবালয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুই দেশের বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে অভিনন্দন জানান জাপানের রাষ্ট্রদূত। পরে দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন তারা।
মন্ত্রী জানান, দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। এসব পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে।
বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পিপিপি মডেলে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ সময় হেরিটেজ ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার।’
তিনি বলেন, সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের আগ্রহ ও অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল-৩ যথাসময়ে উদ্বোধনের বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম শুরু করা জরুরি।
তিনি জানান, জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের জমা দেওয়া প্রস্তাবের টেকনো-ফিন্যান্সিয়াল মূল্যায়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে সব নেগোশিয়েশন শুরু হবে। তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য লেটার অব অ্যাসিউরেন্স নিয়েও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলছে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তাসু/চখ