চবিতে ফজলুল কাদের চৌধুরী হল’ নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রতিষ্ঠায় একক অবদান রাখা চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাবেক স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে ক্যাম্পাসে হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় চবির জিরো পয়েন্টে ছাত্র-অভিভাবক’র ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজ সেবক মোজাম্মেল হক, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, রাজনীতিবিদ মোঃ হোসেন, জীবন খোন্দকার,নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ছাত্র নেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, ছাত্র নেতা রাসেল আল সামির, ছাত্র নেতা আরমান, সমাজসেবক তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফ, রিপন, সায়মন, আয়মন,ছাত্র নেতা আরমান খোন্দকার সিমন,আবু সাজিদ রিয়ান, সাইফুল।
এছাড়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ফজলুল কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে এর অর্থ মঞ্জুর করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের কাছে চবি প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে চলতি বছরের ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ (১৮ নভেম্বর)-এর আগেই এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের জোর দাবি জানান বক্তারা।
পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানকে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
ফরিদা|চখ