১৯ বছর বয়স, ১৯ নম্বর জার্সি- ইয়ামালের রূপকথায় এবার বিশ্বকাপও
মাত্র ১৯ বছর বয়স। গায়ে ১৯ নম্বর জার্সি। আর এই বয়সেই ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও ফিফা বিশ্বকাপ—ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দুই ট্রফিই নিজের ক্যারিয়ারে যোগ করলেন স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। এই জয়ের মধ্য দিয়ে আরেকটি সোনালি অধ্যায় যুক্ত হলো ইয়ামালের ক্যারিয়ারে।
দুই বছর আগেই ইউরো ২০২৪-এ ইতিহাস গড়েছিলেন ইয়ামাল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে স্পেনকে শিরোপা জিতিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান। একই আসরে তিনি ইউরোর ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ও সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েন।
বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা। ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার পাশাপাশি ইউরো ও বিশ্বকাপ—দুই শিরোপাই নিজের ঝুলিতে ভরলেন তিনি। এমন কীর্তি ফুটবল বিশ্বে খুব কম বয়সেই দেখা যায়।
আরও একটি কাকতালীয় বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ১৯ বছর বয়স, স্পেনের ১৯ নম্বর জার্সি, আর ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনাল—সব মিলিয়ে সংখ্যাটির সঙ্গে যেন বিশেষ এক যোগসূত্র তৈরি হয়েছে ইয়ামালের।
মাত্র কৈশোর পেরিয়েই ইউরোপ ও বিশ্বের সেরা হওয়ার স্বাদ পাওয়া লামিন ইয়ামালকে ইতোমধ্যেই ভবিষ্যৎ ফুটবলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকাদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, স্পেনের নতুন যুগের প্রতীক হয়ে উঠেছেন এই তরুণ উইঙ্গার।
তাসু/চখ