chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

পর্যটনে এগোতে সুযোগ-সুবিধা ও আস্থা বাড়ানোর আহ্বান দীপেন দেওয়ানের

সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও উন্নয়ন বোর্ড কার্যকর ভূমিকা রাখলে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন আরও বাড়বে। কিন্তু পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর কার্যকর কোনো ভূমিকা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। পার্বত্য এলাকায় পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য পার্বত্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে যৌথভাবে প্রকল্প নিলে এ এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে।

তিনি বলেন, পর্যটনে যত বেশি নারীর সম্পৃক্ততা বাড়বে, তত বেশি উন্নয়ন করা যাবে। তবে নারীদের নিরাপত্তার বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, পর্যটনে এগিয়ে যেতে হলে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সকলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বাড়াতে হবে। গাইড হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। মেয়েদের সাহস করে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনীতির অন্যতম সম্ভাবনাময় ও গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। নারী পর্যটকদের নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি রোববার (১৯ জুলাই) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত “সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন” বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের উদ্যোগে তারুম ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের Strengthening Marginalised Communities for Inclusive Development in Bangladesh (SMCD) প্রকল্পের সহায়তায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় রাঙ্গামাটির বিভিন্ন হোটেল, মোটেল, কটেজ মালিক, ট্যুর গাইড, বোট মালিক, প্রথাগত প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরুপা দেওয়ান এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙ্গামাটি রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম।

মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন রাইন্যাটুগুন ইকো রিসোর্টের ললিত চন্দ্র চাকমা, জুম কিং রিসোর্টের তনয় দেওয়ান, নুর জাহান বেগম পারুল প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নারীবান্ধব পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে এবং এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশে পর্যটন খাতে নারীর অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং প্রান্তিক নারীদের প্রশিক্ষণের ওপর আরও জোর দিতে হবে।

 

মআ/চখ

এই বিভাগের আরও খবর