chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

তৈরি পোশাকশিল্প: দেশীয় সুতা ব্যবহারে নগদ সহায়তা বাড়ল পাঁচ শতাংশ

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে স্থানীয় সুতা ব্যবহারে নগদ সহায়তা বাড়ল পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক বস্ত্র খাতের জন্য চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার এ–সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, রপ্তানিকারকদের প্রণোদনা নেওয়ার আগে দেশীয় উৎস থেকে সুতা বা কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। এই সুবিধা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা দেশীয় সুতা ব্যবহার উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করাসহ ছয় দফা দাবি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই নগদ সহায়তা বৃদ্ধির দাবি করেছিলেন বস্ত্রকল মালিকেরা। আলাপ–আলোচনার পর নীতিগতভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিদায়ী সরকার। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে বিটিএমএর নেতারা আবারও সরকারের সঙ্গে দেনদরবার শুরু করেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সবুজ সংকেত দেন। তারপরই মূলত বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশনা পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়।

আড়াই বছর আগে স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। তবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ৩ শতাংশ করা হয়। ছয় মাস সেই সহায়তা কমিয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়। এই সহায়তার ওপর আবার ৫ শতাংশ করও দিতে হয় রপ্তানিকারকদের।

এইচএম/চখ

এই বিভাগের আরও খবর