chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

টানা বর্ষণে ডুবল সাজেক সড়ক, আটকা প্রায় ৪০০ পর্যটক

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই সড়ক দিয়েই সাজেকে যাতায়াত করা হয়। সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেক পর্যটন ভ্যালিতে প্রায় ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার মাটি সরে গেছে। এতে সড়ক ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে।

মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে দীঘিনালা-সাজেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় সাজেকে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

এদিকে, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে। তবে এই ঘোষণা দেওয়ার আগেই সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকেরা সড়ক ডুবে যাওয়ায় সেখানে আটকা পড়েন।

অন্যদিকে, লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায়ও মাইনী নদীর পাহাড়ি ঢলের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে লংগদু থেকে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায় সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এসব এলাকায় হাঁটুপানি জমে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে অনেককে হেঁটে পানি ডিঙিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বর্তমান হারে অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

তাসু/চখ

এই বিভাগের আরও খবর