শিক্ষায় সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ করা হবে- অর্থমন্ত্রী
শিক্ষাখাতে বরাদ্দকে ‘ব্যয়’ নয়, বরং ‘সরকারি বিনিয়োগ’ হিসেবে উল্লেখ করে তা পর্যায়ক্রমে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকার কয়েক ধাপে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা শিক্ষাখাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। এর পাশাপাশি নারী শিক্ষার প্রসারে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।”
বাজেট বক্তৃতায় খাতভিত্তিক আলোচনার শেষ দিকে অর্থমন্ত্রী শিক্ষাখাতের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের পরিমাণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপ হিসেবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য শিক্ষাখাতে সর্বমোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট জিডিপির ২ শতাংশ।
এই বরাদ্দ বিগত অর্থবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি। এর আগের অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
সরকার মনে করে, শিক্ষাখাতে এই ধারাবাহিক বরাদ্দ বৃদ্ধি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং একটি গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মুন্নি/চখ
