chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

গুলিয়াখালী সৈকতে হামলার ঘটনায় মামলা, অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের হয়রানি ও হামলার ঘটনার জেরে অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা প্রশাসন। 

পর্যটক হামলার ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হামলায় আহত মো: রাহাত (২৫) বাদী হয়ে শনিবার রাতে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরো ৪ জনকে। এই ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।

তার মধ্যে একজন এজাহার নামীয় অন্যজন সন্দেহভাজন। আটকৃতরা হলো মোহাম্মদ কালাম ও মো: সুমন। এদিকে পর্যটকের ওপর হামলার ঘটনায় নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। পর্যটন এলাকাকে নিরাপদ, দূষণমুক্ত ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা (দোকান) রবিবার বিকেল বেলা অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে উপজেলা প্রশাসন।

উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহিনুল ইসলামসহ পুলিশ কর্মকর্তারা।

‎এ সময় আরো উপস্থিত ছিল বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্যরা। এদিকে সৈকতে গড়ে ওঠা অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের দাবি, যারা পর্যটকদের উপর হামলা করেছে তাদের বিচার চাই। কিন্তু গুলিয়াখালী সৈকতে পর্যটক নির্ভর হয়ে গড়ে ওঠা ২২টি দোকান উচ্ছেদ করাতে বেকায়দায় পড়েছেন ২২টি পরিবার। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি তুলেন তারা।

‎এ সময় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতকে আরো দৃষ্টিনন্দন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সৈকতকে দূষণমুক্ত করার উদ্দেশ্যে অবৈধ স্থাপনা গুলো উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদের সময় দেখা যায়,সমুদ্র সৈকতে যেই দোকানগুলো ছিল প্রত্যেকটি দোকান ছিল দোতলা বিশিষ্ট। দোকানের নিচ তলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলেও উপর তলায় ছিল গোপন কক্ষ, সেখানে চলত নানান রকম অসামাজিক কার্যকলাপ। এছাড়াও গুলিয়াখালী সৈকত এলাকায় যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে ক্রমান্বয়ে সবগুলোকে উচ্ছেদ করা হবে।

‎সীতাকুণ্ড মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল ইসলাম বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মআ/চখ

এই বিভাগের আরও খবর