chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

ধর্মীয় মূল্যবোধই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি : পার্বত্য মন্ত্রী

সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি। তিনি বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু উপাসনার স্থান নয়, বরং নৈতিকতা, সহনশীলতা ও সামাজিক সংহতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাঙ্গামাটির ঐতিহাসিক রাজবন বিহার প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন এবং বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান ও অষ্টপরিষ্কার দানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির সমন্বয়ে আয়োজিত ‘মহতী পুণ্যদান অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান পুণ্যার্থী হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ প্রজ্বলন এবং বিশ্বশান্তি প্যাগোডার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশী বৌদ্ধ ধর্মীয় সংঘের রাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির ও উপ-সংঘরাজ ভদন্ত প্রিয়দর্শী মহাস্থবিরকে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বশান্তি ও জগতের সকল প্রাণীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভিক্ষুসংঘ, দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকাসহ বিভিন্ন স্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা ও সমর্থনের মাধ্যমে এমন মহতী আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান দেশের সব শ্রেণি, পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এই অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘসহ বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, দায়ক-দায়িকা এবং উপাসক-উপাসিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সকলকে এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

চখ/ককন

এই বিভাগের আরও খবর