chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

পহেলা বৈশাখেই ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করবেন তিনি

টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন বছরের প্রথম দিনেই চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সকালের দিকে তার গাড়িবহর নিয়ে গুলশানের বাসভবন টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি। প্রথম দিনেই ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।

এসময় টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন তিনি।

এরমধ্য দিয়ে আরেকটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে এগোবে বিএনপি সরকার। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খালখনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এ কার্ডের মাধ্যমে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, “ওই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা প্রণোদনা ও সেবা নেবেন; সংশ্লিষ্ট ডিলারের সরবরাহ করা মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ, মৎস্য/প্রাণি খাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন।”

এদিনই আরও ৯ স্থানে প্রাক-পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। যার মধ্যে রয়েছে—পঞ্চগড় সদরের কমলাপুর, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপি এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা। এছাড়া কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে ১৭ এপ্রিল।

প্রাক-পাইলটিং কার্যক্রমের জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ প্রাক-পাইলটিং শেষ হওয়ার পর দেশের ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন,পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী চার বছরে সারাদেশে এই কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তবে আর্থিক সুবিধা পাবেন কেবল ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক।

মুন্নি/চখ

এই বিভাগের আরও খবর