জুনি থেকে মিমি হওয়ার গল্প
নন্দিত অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমির বয়স পূর্ণ হয়েছে ৫৭ বছর। গত ২০ ডিসেম্বর ছিল তাঁর জন্মদিন। তবে এ দিনটি তিনি উদযাপন করেন ভিন্নভাবে। প্রতি বছর জন্মদিনের সকালে ঢাকার ইস্কাটনের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে গিয়ে সেদিন জন্ম নেওয়া শিশুদের পরিবারকে গোপনে উপহার দেন তিনি। বছরের পর বছর নীরবে এই মানবিক কাজ করে আসছেন আফসানা মিমি।
এই উদ্যোগের পেছনের গল্প সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন তিনি। ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টের দ্বিতীয় মৌসুমের ষষ্ঠ পর্বে নিজের জীবনের না বলা অনেক কথা তুলে ধরেন জনপ্রিয় এই তারকা। অনুষ্ঠানটি আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৮টায় মাছরাঙা টেলিভিশন এবং রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ প্রচারিত হবে।
রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় দীর্ঘ এই পডকাস্টে আফসানা মিমি জানান, ছোটবেলায় তিনি ‘মিমি’ চকোলেট খেতে ভালোবাসতেন। সেই ভালোবাসা থেকেই নিজের নাম নিজেই বেছে নিয়েছিলেন ‘মিমি’। তাঁর ভালো নাম আফসানা করিম। পরিবারে বড় বোন অ্যানির সঙ্গে মিল রেখে তাঁর ডাকনাম রাখা হয়েছিল জুনি। বাবা তাঁকে ডাকতেন ‘মিম’ নামে। পরে নিজের আগ্রহেই তিনি ‘মিমি’ নামটি চূড়ান্ত করেন।
মজা করে আফসানা মিমি বলেন, “আমি বোধহয় পৃথিবীর একমাত্র শিশু, যে নিজের নাম নিজেই ঠিক করেছি!”
‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ পডকাস্টটির প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।
ফখ|চখ
