আরাকান আর্মির কবল থেকে টেকনাফে পালিয়ে এলো ১৮ জেলে
সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে আরাকান আর্মির হাতে আটক হওয়া জেলেদের মধ্যে ১৮জন জেলে কৌশলে পালিয়ে এসেছে।
শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলেরা একটি ট্রলারে শাহপরীর দ্বীপের জেটিঘাটে পৌঁছায়। পরে কোস্টগার্ড তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান জানান, পালিয়ে আসা জেলেদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দিয়েছে বলে শুক্রবার থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন। তারা টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পালিয়ে আসা জেলে শামসুল আলম বলেন, মোহাম্মদ হাসানের ট্রলারে গত মঙ্গলবার মাছ শিকারে যাই। বুধবার আরাকান আর্মি স্পিড বোট দিয়ে ধাওয়া করে আমাদের আটক করে। আমাদের ট্রলারে ১০জন, আরেকটিতে ৮জন জেলে ছিল। আরাকান আর্মির দুই সদস্য আমাদের ট্রলারের পেছনে ছিল। অন্ধকারে তাদের স্পিডবোট সামনের দিকে গেলে আমরা উল্টো দিকে ঘুরে সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি চলে আসি। পরে আমরা ট্রলার নিয়ে পালাতে সক্ষম হই। বুধবার বিকেলে সেন্টমার্টিন সংলগ্ন সাগর থেকে ৫টি ট্রলারসহ মোট ৪০জন জেলেকে আটক করে ধরে নিয়ে গিয়েছিল আরাকান আর্মি।
শুক্রবার টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর জানান, জেলেদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে মিয়ানমারের জলসীমার কাছে মাছ শিকারে না যাওয়ার মুচলেকা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাসু/চখ
