রাউজানে ছেলে হত্যার দায়ে মা কারাগারে
রাউজানের চাঞ্চল্যকর প্রকৌশলী নুরুল আলম বকুল হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ তিনজনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে রাউজান থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এরআগে সোমবার (৭ জুলাই) বিকালে র্যাব-০৭ ও রাউজান থানা পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে হাটহাজারী উপজেলার বড়দিঘীরপাড় এলাকার লালিয়ার হাটের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- নিহতে মা শহীদা বেগম(৬৪), নিহতের ভাই মো. নাজিম উদ্দিন (৩৩) ও মো. দিদারুল ইসলাম(৩১)। তারা রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের এয়াছিন নগর গ্রামের তিতা গাজীর বাড়ীর বাসিন্দা এবং যথাক্রমে নুরুল ইসলামের স্ত্রী ও ছেলে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনানুগ কার্যাদি সম্পাদন শেষে আজ (মঙ্গলবার) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল ঈদের পরের দিন নগীর বাসা হতে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসলে জায়গা-সম্পত্তির বিরোধের জেরে নিজ স্ত্রী-পুত্রের সামনে লোহার রড, লাটি, হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ধারালো অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে নৃশংসভাবে প্রকৌশলী নুরুল আলম বকুল হত্যা করা হয় । এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন তার মা, ভাই-বোন ও চাচাত ভাইরা।
ঘটনার দুইদিন পর ৩ এপ্রিল নিহতের আরেক ভাই রাজু আহমেদ বাদি হয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী মো. নাজিম উদ্দিন, দিাদরুল আলম, শাহিদা বেগম, মুন্নি আকতার, মো. জাকের হোসেন, মো. জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। অবশেষে হত্যাকান্ডের ৩মাস পর পুলিশ ৬ আসামীর মধ্যে এই তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রসঙ্গত, গত ২ জুলাই (বুধবার) আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি এবং আসামী কর্তৃক মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন বকুল হত্যা মামলার বাদী মো. রাজু আহম্মেদ।
তাসু/চখ
