chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

দেশে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

চিকিৎসা শেষে এক মাস পর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রবিবার গভীর রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন শ্যালক নওশাদ খান এবং ছোট ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষার।

বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানকে হুইলচেয়ারে করে নামানো হয়। তখন তার পরনে ছিল লুঙ্গি ও নীল রঙের একটি চাদর।

এর আগে, ৭ মে গভীর রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বিদেশে যান আবদুল হামিদ। ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে যাওয়া এই সফর ঘিরে তখন নানা প্রশ্ন ওঠে, কারণ কিশোরগঞ্জের একটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় তার নাম ছিল আসামিদের তালিকায়।

পরে এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ চারজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।

আবদুল হামিদের দেশত্যাগ নিয়ে আলোচনা চলাকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তার ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষার। ১৪ মে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন, “৮২-৮৩ বৎসরের একজন বয়স্ক লোক, যিনি কিনা অসুস্থতার কারণে এখন ২ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না, ২ ঘণ্টা বসে থাকতে পারছেন না; বাধ্য হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়েন।

“ওজন কমতে কমতে ৫৪ কেজিতে দাঁড়িয়েছে; যে কারণে নিজের কোনো প্যান্ট পরতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে লুঙ্গি পরে থাকতে হচ্ছে। যাকে বেটার চিকিৎসার জন্য ডাক্তারগণ বোর্ড করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বিদেশে চিকিৎসা করানোর জন্য।”

আওয়ামী লীগের সময়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং পরে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন আবদুল হামিদ। এরপর ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি দায়িত্ব নেন ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি।

তার রাষ্ট্রপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ হয় ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল। এরপর বঙ্গভবন ছাড়ার পর থেকে রাজধানীর নিকুঞ্জের নিজ বাসায় বসবাস করছেন তিনি।

ফখ|চখ

এই বিভাগের আরও খবর