chattolarkhabor
চট্টলার খবর - খবরের সাথে সারাক্ষণ

সীমান্ত বাণিজ্যে দুয়ার খুলছে ট্রান্স এশিয়ান রেলপথ

বাংলাদেশের সীমান্ত বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে কক্সবাজারের ট্রান্স এশিয়ান রেলপথ। আপাতত চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে শুরু হয়ে কক্সবাজারে শেষ হবে। আগামীতে বাংলাদেশের ঘুমধুম থেকে মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিং পৌঁছাবে তুরস্ক থেকে আসা ট্রান্স-এশিয়ান আন্তর্জাতিক রেল সংযোগ। এতে শুধু পযর্টন শিল্পেরই বিকাশ নয়, শিল্প-কারখানা স্থাপনেও রাখবে ভূমিকা।

বিশ্বের অন্যতম টানা দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের অবস্থান কক্সবাজার হলেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও গড়ে ওঠেনি কোন ধরণের শিল্প কারখানা। নামে মাত্র রয়েছে কিছু লবণ মিল ও চিংড়ি মাছের প্রজণন কেন্দ্র। তবে, শিল্প বিকাশে এবার আশার আলো দেখাচ্ছে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ।এর মধ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা।

ব্যবসায়ীদের আশা, ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হলে বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার। আর বিদেশি পর্যটকের নতুন গন্তব্য হবে কক্সবাজার।

কক্সবাজারের হোটেল কক্স টুডের ব্যবস্থাপক আবু তালেব শাহ বলেন, যত দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, তত দ্রুত এখানকার পর্যটন শিল্প উপকৃত হবে। ঘুরে দাঁড়াবে এ শিল্প এবং জিডিপিকে প্রভাবিত করবে এটি।

কক্সবাজার চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। সহজ হবে পণ্য আনা-নেয়া। একই সঙ্গে কক্সবাজারে উৎপাদিত লবণ, সমুদ্র থেকে আহরিত মাছ, টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানির মালামাল পরিবহনে সুবিধা বাড়বে। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের।

২০১০ সালে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার ও রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প নেয়া হয়। তবে ভূ রাজনৈতিক জটিলতায় কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটারের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এই রেলপথ উদ্বোধনের পর নতুন স্বপ্ন আগামীতে বাংলাদেশের ঘুমধুম থেকে মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিং পৌঁছাবে তুরস্ক থেকে আসা আন্তর্জাতিক রেল সংযোগ।

কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে কুনমিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এ রেললাইন। এতে দেশের রেল ও অর্থনীতিতে অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

চখ/ফখ

এই বিভাগের আরও খবর